রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি খাতের গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক জটিলতার অভিযোগ রয়েছে। দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার একটি বড় অংশ এ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিচালিত হওয়ায় এর প্রতিটি সিদ্ধান্ত জাতীয় অর্থনীতি, পরিবহন ও শিল্প উৎপাদনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
সাম্প্রতিক সময়ে বরাদ্দপত্রের বাইরে অতিরিক্ত তেল সরবরাহ, দায়িত্বে অবহেলা, নির্দেশনা অমান্য এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রাপ্ত একাধিক দাপ্তরিক নথি, অফিস আদেশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কয়েকটি ধারাবাহিক প্রশাসনিক পদক্ষেপ, প্রতিষ্ঠানটির অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও জবাবদিহি নিয়ে গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে।
সূত্র অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানের ডিজিএম (ডিএলও—অ.দা.) সৈয়দ শফিকুর রহমানকে কেন্দ্র করে বরাদ্দ ব্যবস্থাপনায় অসংগতি এবং প্রশাসনিক নির্দেশনা উপেক্ষার অভিযোগ আসে। মোংলা, ফতুল্লা, গুলশান এবং বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে তেল বরাদ্দ ও সরবরাহ প্রক্রিয়ায় দীর্ঘদিন ধরেই এসব অনিয়ম চলছে। পাইপলাইন থেকে তেল গায়েব, ট্যাংকলরির ধারণক্ষমতা পরিবর্তন করে অতিরিক্ত তেল সরানো এবং অবৈধ মজুতের মতো বিষয়গুলো নিয়ে অতীতে বিভিন্ন সময় আলোচনা হলেও সাম্প্রতিক কয়েকটি প্রশাসনিক ঘটনায় বিষয়টি নতুন করে সামনে এসেছে। সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তা ও কর্মচারীর প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষ সহযোগিতার অভিযোগও রয়েছে বলে জানিয়েছেন একাধিক সূত্র।
মন্তব্য করুন