বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, গণভোট এখন জাতীয় দাবিতে পরিণত হয়েছে, জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটানোর এটি একটি কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য পদ্ধতি।
তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস শুরু থেকেই গণভোটের পক্ষে সুস্পষ্ট ও নীতিগত অবস্থান গ্রহণ করেছে। এই দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত দল রাজপথে থেকে সর্বাত্মক আন্দোলন চালিয়ে যাবে। গণভোট বাস্তবায়নে দেশব্যাপী গণআন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
গণভোটের রায় পূর্ণ বাস্তবায়নের দাবিতে আগামী ২৪ এপ্রিল ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিতব্য গণসমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগর উত্তর-এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত দায়িত্বশীল সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাজধানীর মোহাম্মদপুর সাত মসজিদ চত্বরে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ঢাকা মহানগর উত্তর-এর সভাপতি মাওলানা আনোয়ার হোসেন রাজীর সভাপতিত্বে এবং সহসাধারণ সম্পাদক মাওলানা মিজানুর রহমান মিসবাহর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফয়সাল আহমাদ, যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা জাহিদুজ্জামান, কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তর-এর সহসভাপতি মাওলানা এহছানুল হক ও ঢাকা মহানগর উত্তর সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুর্শিদ সিদ্দিকী।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তরের সহসভাপতি মাওলানা কামাল উদ্দিন ফারুকী, মাওলানা আবুল কাশেম মিয়াজী ও মাওলানা আব্দুল কাদের সিরাজী, সহসাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল্লাহ নাটোরী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা নেয়ামতুল্লাহ আমিন, প্রচার সম্পাদক মাওলানা নুরুল আলম কাসেমি, অফিস সম্পাদক মাওলানা এইচ এম খোকন, নির্বাহী সদস্য মাওলানা নাঈমুল হক আজিজী, মাওলানা ওবায়দুল্লাহ বিন আব্দুল হাই, সহপ্রচার সম্পাদক মাওলানা জারীর আহমাদ ও মাওলানা মাসরুরুল হক।
আসন্ন গণসমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে সভায় ব্যাপক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় এবং সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
মন্তব্য করুন
১
২
৩
৪
৫
৬
৭
৮
৯
১০
১১
১২
১৩
১৪
১৫
১৬
১৭
১৮
১৯
২০

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিসিএস ক্যাডার নিয়োগে দুর্নীতি, দলীয়করণের বিষয়ে দুদকসহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থা অনুসন্ধান ও তদন্ত করছে। তদন্ত প্রতিবেদন ও সুপারিশ পাওয়ার পর আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।
সরকারি দলের সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের প্রশ্নের জবাবে মো. আব্দুল বারী বলেন, গত ১৬ বছরে বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ১২ জন কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়েছে, ৩৯ জনকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে এবং ৫৬৪ জনকে ওএসডি করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিসিএস ক্যাডার নিয়োগে দুর্নীতি ও দলীয়করণের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনসহ (দুদক) সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো অনুসন্ধান ও তদন্ত করছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিসিএস নিয়োগে দুর্নীতি ও দলীয়করণের অভিযোগ গুরুত্বসহকারে তদন্ত করছে দুদকসহ সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো। তদন্ত প্রতিবেদন ও সুপারিশ পাওয়ার পর আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মো. আব্দুল বারী জানান, বিসিএসসহ সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মুখস্থনির্ভর সিলেবাসের পরিবর্তে দক্ষতাভিত্তিক মূল্যায়ন পদ্ধতি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে বিসিএস পরীক্ষার সিলেবাস সংশোধনের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি মৌখিক পরীক্ষায় যোগ্যতাভিত্তিক মূল্যায়ন পদ্ধতি চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে। নিয়োগ প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা কমিয়ে এক বছরের মধ্যে একটি বিসিএস সম্পন্ন করার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন
১
২
৩
৪
৫
৬
৭
৮
৯
১০
১১
১২
১৩
১৪
১৫
১৬
১৭
১৮
১৯
২০

চীন সরকারের আমন্ত্রণে বেইজিংয়ের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছে বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাত ১১ টা ২০ মিনিটে ‘চায়না নর্দান এয়ারলাইন্সের’ একটি ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছাড়েন তারা।
বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, চীন সফরে বিএনপির এই প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিএনপি চেয়ারম্যান উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রী উপদেষ্টা ইসমাঈল জবিউল্লাহ।
প্রতিনিধি দলের অন্যান্য সদস্যরা হলেন, আলতাব হোসেন চৌধুরী, নাজমুল হক নান্নু, মো. শামসুজ্জামান, এস এম আসাদুজ্জামান রিপন, বেবী নাজনীন, খাইরুল কবির খোকন, হাবিবুর নবী খান সোহেল, আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, কামরুজ্জামান, নিলুফার চৌধুরী মনি, সাঈদ আল নোমান, মনোয়ার হোসেন, মো. রফিকুল ইসলাম, সানজিদা ইসলাম, কামাল আনোয়ার আহমেদ, মো. ইউনুস আলী, মো. আমানুল্লাহ, মীর সোলায়মান।
মন্তব্য করুন
১
২
৩
৪
৫
৬
৭
৮
৯
১০
১১
১২
১৩
১৪
১৫
১৬
১৭
১৮
১৯
২০

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে উপদেষ্টা থাকাকালীন নিজের সঙ্গে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন বিষয় উল্লেখ করে সমালোচনা করেছেন জুলাই আন্দোলনের অন্যতম নেতা মাহফুজ আলম।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পোস্টে তিনি এসব সমালোচনা করেন।
মাহফুজ লেখেন, ‘আজকে হাসনাতের সংসদে ‘আকুতি’ দেখে মনে পড়ল যে, রামগঞ্জ-লক্ষীপুরের উন্নয়নের জন্য ৪/৫ জন উপদেষ্টার কাছে গিয়েও কোনো হেল্প পাইনি। তাদের সঙ্গে কয়েকবার দেখা করেছি। ডিও লেটার দিয়েছি। সেসব লেখার সময় এখনো আসেনি। এতটুকু বলতে পারি যে, একটি রাজনৈতিক দলের চাপে/সিদ্ধান্তে উনারা আমার এলাকায়/আমাকে কোন সহযোগিতা করেননি।’
তিনি লেখেন, ‘হাসনাত বলছেন এলাকায় মুখ দেখাতে পারবেন না। আর, আমার মুখটা ঢেকে দিয়েছিলেন আমার সহকর্মীরা! খোদা তাদের মঙ্গল করুন। অন্তরীণ সরকার কীভাবে চলত, এটা নিয়ে কত মিথ্যা আর গুঞ্জন হলো। গুঞ্জন আর নানা হিসাবের বাইরে তো অনেক সত্য আছে!!’
শেষে মাহফুজ লেখেন, ‘পুনশ্চঃ আমি যে মাদ্রাসায় ৮ বছর পড়েছি, যে মাদ্রাসা আমার বাবা লীগ কর্তৃক বেদখল হওয়া পর্যন্ত ১৫ বছর পরিচালনা করেছেন, সে মাদ্রাসা এমপিওভুক্ত হয়নি। কারণ, আমি একটি রাজনৈতিক দলের বিরোধিতা করেছিলাম। আমি তো ‘অযোগ্য’ উপদেষ্টাই বটে! আর, সে রাজনৈতিক দল নাকি ক্ষমতায় ছিল না। হাহা পায় যে হাসি!!’
মন্তব্য করুন
১
২
৩
৪
৫
৬
৭
৮
৯
১০
১১
১২
১৩
১৪
১৫
১৬
১৭
১৮
১৯
২০

রাত ২টা পর্যন্ত রাস্তায় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও গাড়ির জন্য তেল (জ্বালানি) পাইনি বলে অভিযোগ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য কামাল হোসেন।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৪তম দিন রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ অভিযোগ করেন।
জাতীয় সংসদে রসিকতা করে তিনি বলেন, ‘গত রাতে আমাকে ২টা পর্যন্ত রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে। আমি তেল পাইনি। তেল শুধু মহান সংসদে, এত পরিমাণ তেল এখানে অপচয় হচ্ছে। বাইরের তেল অলরেডি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।’
ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য আরও বলেন, এখানে যত্রতত্র লিজ দেওয়া হচ্ছে, মেইন রাস্তা লিজ দেওয়া হচ্ছে। তার কারণে চাঁদা তোলা হচ্ছে—জানজট সৃষ্টি হচ্ছে। মাদক, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস— এখানে উন্নয়নের অন্যতম বাধা। গত ফ্যাসিবাদের সময়ে আমরা প্রতিবাদ করেছি। অনেক মানুষ এখানে খুনের শিকার হয়েছেন। এই সরকার ক্ষমতা আসার পরও আমাদের এই চাঁদার বিরুদ্ধে কথা বলার কারণে নূরে আলম খাইরুলকে শহীদ হতে হয়েছে। আমি ধিক্কার জানাই।
স্পিকারের উদ্দেশে কামাল হোসেন বলেন, আমি আপনার মাধ্যমে শিক্ষামন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি— যেখানে ৭২ জন শিক্ষক দরকার সেখানে ১৪২ জন শিক্ষক কীভাবে থাকতে পারে? আমরা মনে করি উন্নয়ন কোনো দলীয় বিষয় নয়, উন্নয়ন হচ্ছে মানুষের অধিকার। আমার এলাকার জনগণের অধিকার।
কামাল হোসেন আরও বলেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে ভূমিকা রাখার কারণে আমাকে ৮৫৩ দিন জেলে থাকতে হয়েছে, ৯ বার জেলে যেতে হয়েছে। দ্বিতীয়বার যেন আর এ ধরনের ফ্যাসিবাদের মুখোমুখি না হই। এই কারণে আমাদের গণভোট। আপনারা জানেন, বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ৩০ মে ১৯৭৭ সালে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং ১৯৭৮ সালে সেই গণভোট আপনার সংবিধানের সামনে স্বীকৃত হয়েছে, বিএনপি গণভোট শুরু করেছে আর ২০২৬ সালে বিএনপি, আজ গণভোট অস্বীকার করছে।
এই সংসদ সদস্য বলেন, আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন গণভোট বৈধ। বৈধ যদি হয়, তাহলে অবশ্যই আপনারা সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করেন। এই সংস্কার অধিবেশন ১৮০ দিন মেয়াদ। যদি এর মধ্যে সংবিধান সংস্কার পরিষদ আহ্বান না করেন, আপনি (স্পিকার) আইনের অন্যতম বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিত্ব। এই মহান সংসদ বিলুপ্ত হয়ে যাবে, যদি সংবিধান সংস্কার পরিষদে আহ্বান না করা হয়।
মন্তব্য করুন
১
২
৩
৪
৫
৬
৭
৮
৯
১০
১১
১২
১৩
১৪
১৫
১৬
১৭
১৮
১৯
২০

হাদি হত্যার বিচার না হলে আমাদের মতো হানজালার নিরাপত্তা কেউ দিতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সংসদ সদস্য সাইদ উদ্দিন আহমাদ হানজালা।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন। সংসদের অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
হানজালা বলেন, ‘আজকে যেই সন্তানটা ন্যায়ের পক্ষে কথা বলেছিল, ইনসাফের আওয়াজ দিয়েছিল। সে আমাদের মতোই যুবক ছিল। তিনি (শহীদ শরিফ ওসমান হাদি) স্বপ্ন বুনেছিলেন, এক সুন্দর বাংলাদেশ করবার। কিন্তু রাস্তার ভিতরে সেই স্বপ্ন থামিয়ে দেওয়া হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘যদি এই হত্যাকাণ্ডের বিচার না হয়, তাহলে আমাদের মতো হানজালার নিরাপত্তাও রাস্তায় কেউ দিতে পারবে না।’
সংসদে স্পিকারের উদ্দেশে এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘আপনার (স্পিকার) মাধ্যমে আমি বলতে চাই, হাদি হত্যার বিচার যেন সুনিশ্চিত করা হয়।’ এছাড়াও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে তিনি এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক বিচার নিশ্চিত করার জন্য আহ্বান জানান।
মন্তব্য করুন
১
২
৩
৪
৫
৬
৭
৮
৯
১০
১১
১২
১৩
১৪
১৫
১৬
১৭
১৮
১৯
২০

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় নেওয়া হয়েছে। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতাল থেকে গত সোমবার (১৩ এপ্রিল) তাকে মালয়েশিয়ায় নেওয়া হয়।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান কালবেলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
বর্তমানে শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় উন্নত ফিজিওথেরাপি ও পুনর্বাসন চিকিৎসার জন্যই মির্জা আব্বাসকে মালয়েশিয়ায় নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, গত ১১ মার্চ ইফতারে পানি পান করার সময় হঠাৎ করেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন মির্জা আব্বাস। তখন অবস্থার উন্নতি না হলে গভীর রাতে তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় গত ১৫ মার্চ ঢাকা থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়।
এর আগে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে হারিয়ে এমপি নির্বাচিত হন মির্জা আব্বাস।
মন্তব্য করুন